What is E-Commerce ?

E-commerce business

আপনি কি ব্যবসা করতে চান ? যদি করতে চান তাহলে আমি প্রথমে আপনাদের যে কথাটি বলবো তা হলো অনলাইনে ই-কমার্স ব্যবসা । কারন ইন্টারনেটে ই-কমার্স ব্যবসা একটি সহজ ও ভাল ব্যবসা। আজকে আমি আপনাদের ই-কমার্স ব্যবসা সম্পর্কে জানাতে চলছি ।

What is E-Commerce ?

ইলেক্ট্রনিক নেটওয়ার্ক, বিশেষ করে, ইন্টারেনট ব্যবহার করে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়, অর্থ লেনদেন ও ডাটা আদান-প্রদানই হচ্ছে ই-কমার্স বা ই-বাণিজ্য। ই-মেইল, ফ্যাক্স, অনলাইন ক্যাটালগ, ইলেক্ট্রনিক ডাটা ইন্টারচেঞ্জ (ইডিআই), ওয়েব বা অনলাইন সার্ভিসেস ইত্যাদির মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। সাধারণত ই-কমার্স সুসম্পন্ন হয় এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও আরেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের (B2B) মধ্যে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তার (B2C ) মধ্যে, ভোক্তা ও ভোক্তার (C2C) মধ্যে। এক কথায় প্রায় স্বয়ংক্রিয় আদান-প্রদানের এই বিপণন প্রক্রিয়ার নাম হচ্ছে  E-commerce। যেমন- অনলাইন শপিং, নিলাম, ইন্টারনেট ব্যাংকিং,  ইলেক্ট্রনিক পেমেন্ট, ইন্টারনেট ব্যাংকিং ইত্যাদি পদ্ধতি হলো ই-কমার্স বা ই-বাণিজ্য।

E commerce

 

Types of E-Commerce

  1. Business to Business (B2B)
  2. Business to Consumer (B2C)
  3. Consumer to Consumer (C2C)
  4. Consumer to Business (C2B)
  5. Business to Administration (B2A) or Business to Government (B2G)
  6. Consumer to Administration (C2A)
  7. Business-to-Employee(B2E)

 

 

Business to Business (B2B)

 

ব্যবসা-থেকে-ব্যবসা এমন একটি পরিস্থিতি যেখানে এক ব্যবসা অন্যজনের সাথে বাণিজ্যিক লেনদেন করে। এটি সাধারণত তখন হয় যখন কোনও ব্যবসা তাদের উত্পাদন প্রক্রিয়াজাতের জন্য আউটপুট সরবরাহের জন্য সামগ্রী সরবরাহ করে |

E-Commerce

Business to Consumer (B2C)

বিজনেস-টু-ভোক্তা (B2C) শব্দটি গ্রাহকদের মধ্যে সরাসরি পণ্য এবং পরিষেবা বিক্রয় করার প্রক্রিয়া বোঝায় যারা এর পণ্য বা পরিষেবার শেষ ব্যবহারকারী।

E-Commerce

Consumer to Consumer (C2C)

  গ্রাহক থেকে গ্রাহক (C2C)একটি ব্যবসায়িক মডেল, যার মাধ্যমে গ্রাহকরা একে অপরের সাথে সাধারণত অনলাইন পরিবেশে বাণিজ্য করতে পারেন। C2C মার্কেটের দুটি বাস্তবায়ন হল নিলাম এবং শ্রেণিবদ্ধ বিজ্ঞাপন।

E-Commerce

Consumer to Business (C2B)

গ্রাহক-থেকে-ব্যবসায় একটি ব্যবসায়ের মডেল যেখানে গ্রাহকরা মান তৈরি করেন এবং ব্যবসাগুলি সেই মানটি গ্রহণ করে। উদাহরণস্বরূপ, যখন কোনও ভোক্তা পর্যালোচনা লিখেন বা যখন কোনও গ্রাহক নতুন পণ্য বিকাশের জন্য একটি দরকারী ধারণা দেয় তখন সেই ভোক্তা ব্যবসায়টির জন্য মূল্য তৈরি করে যদি ব্যবসায় ইনপুট গ্রহণ করে।

E-Commerce

 

 Business to Government (B2G)

বিজনেস টু গভর্নমেন্ট (B2G) বা বিজনেস-টু-অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (B2A) B2B বিপণনের একটি উপকরণ এবং প্রায়শই “পাবলিক সেক্টর মার্কেটিং” এর বাজার সংজ্ঞা হিসাবে পরিচিত। যা একীকরণের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারী স্তরে বিপণন পণ্য এবং পরিষেবাগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে বিপণন যোগাযোগ কৌশল যেমন কৌশলগত জনসংযোগ, ব্র্যান্ডিং, বিপণন যোগাযোগ, বিজ্ঞাপন এবং ওয়েব-ভিত্তিক যোগাযোগ |

E-Commerce

Consumer to Administration (C2A)

ভোক্তা থেকে প্রশাসনের মডেলটি ব্যক্তি এবং জনপ্রশাসনের মধ্যে পরিচালিত সমস্ত বৈদ্যুতিন লেনদেনকে অন্তর্ভুক্ত করে। অ্যাপ্লিকেশনগুলির উদাহরণগুলির মধ্যে রয়েছে: শিক্ষা – তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া, দূরত্ব শিক্ষা ইত্যাদি ।

E-Commerce

 

Business-to-Employee(B2E)

ব্যবসায়-কর্মচারী ইলেকট্রনিক বাণিজ্য একটি আন্তঃব্যবস্থা নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে যা সংস্থাগুলি তাদের কর্মীদের পণ্য অথবা পরিষেবা সরবরাহ করতে দেয়।সাধারণত, সংস্থাগুলি কর্মচারী সম্পর্কিত কর্পোরেট প্রক্রিয়াগুলি স্বয়ংক্রিয় করতে B2E নেটওয়ার্কগুলি ব্যবহার করে।B2E পোর্টালগুলি তাদের ব্যবহার করে এমন লোকদের কাছে বাধ্যতামূলক হতে হবে ।

Advantages of E-Commerce :

  • E-Commerce ব্যবসার মাধ্যমে সহজে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি করা যায়।
  • E-Commerce কেনাকাটা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য ওয়ার্কিং টাইম সেভ করে থাকে।
  • আর্থিক লেনদেনের খরচ কম হয়ে থাকে।
  • ই-কমার্স ব্যবসায় ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে খুব সহজেই ক্রেতার কাছে পৌছা যায়।
  • E-Commerce ব্যবসায় অতি দ্রুত পন্য ভোক্তার কাছে পৌছে দেওয়া হয়।
  • ই-কমার্স ব্যবসায়িক ব্যয় সংকোচনের পাশাপাশি ক্রেতার জন্য কেনাকাটার খরচ কমিয়ে দিয়েছে এবং কেনাকাটার গতির সঞ্চার করেছে।
  • E-Commerce বাজারে নতুন ধরনের চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করছে।যেমন-মাল্টিমিডিয়া ডেভেলপার, ডেটাবেস ডিজাইনার, প্রোগ্রামার ইত্যাদি।
  • ই-কমার্স তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিভিন্ন খরচ যেমন- পণ্য তৈরি করা, বিতরণ করা, সংরক্ষণল করা ইত্যাদি কার্যক্রমের খরচ ব্যাপকভাবে কমিয়ে থাকে।

Disadvantages of E-commerce:

  • ব্যবসায়ে দক্ষ লোকবলের অভাব দেখা দিয়ে থাকে।
  • ব্যবসায়ে উন্নত প্রযুক্তি প্রয়োগ ব্যয়বহুল হয়ে থাকে।
  • দূরবর্তী স্থানের অর্ডার ক্ষেত্রবিশেষ ব্যয়বহুল হয়ে থাকে ।
  • ব্যবসায়ে মাত্রাতিরিক্ত অর্ডার হলে সরবরাহের সমস্যা হয়।
  • ব্যবসায়ে আথিক লেনদেনের নিরাপত্তার অভাব আছে।
  • ক্রেতা বা বিক্রেতা অনেক সময় ই-কমার্সের কার্যক্রমের উপর বিশ্বাস
  • স্থাপন করতে পারে না।

আমাদের সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন www.shodagor.com 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Click to access the login or register cheese

Shop By Department