Hana-a-Class মাইনাস ওয়াটার বাংলাদেশে উৎপাদিত জাপানী প্রযুক্তিতে তৈরী একমাত্র মাইনাস ওয়াটার।
আমরা অনেকেই জানি, পানির গুনাগুন পরিমাপের আন্তর্জাতিক পদ্ধতির নাম ORP (Oxidation Reduction Potential) পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে পানির স্যাম্পল পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায়, পানিতে উপস্থিত মানুষের শরীরের জন্যে ক্ষতিকর কেমিক্যালের উপস্থিতি সম্পর্কে। আর একটু সহজ করে বললে, আমরা জানতে পারি ওই পানিতে কতটুকু সংক্রমণ ও রাসায়নিকের উপস্থিতি আছে।
যে পানিতে Oxidizing বা Reducing Potential বেশি থাকে, তা শরীরের জন্যে ক্ষতিকর। সাধারণত সুইমিং পুলের পানিতে মানুষের শরীরের জন্যে ক্ষতিকর রাসায়নিকের মাত্রা মাপতে এ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ ORP মেশিনে (+) ভ্যালু ফলাফল আশা মানেই যেকোন পানিই মানুষের শরীরের জন্যে ক্ষতিকর। অন্যদিকে (-) ভ্যালু যুক্ত পানি মানুষের শরীরের জন্যে উপকারী।
আমরা দেশে উৎপাদিত বোতলজাত কিছু নিয়মিত পানি ও মিনারের ওয়াটারের সাথে Hana-a-Class মাইনাস ওয়াটারের ORP পরীক্ষা চালিয়েছি। যেখানে পপুলার পানির ব্র্যান্ড গুলোতে ORP রেটিং পাওয়া যায় +৩০০ থেকে +১১০০ এর মাঝে। অন্যদিকে Hana-a-Class মাইনাস ওয়াটারে যে সংখ্যা -৪০০ পাওয়া যায়। তাই এই পানিকে বলা হয় মাইনাস ওয়াটার।

আপনারা হয়তো অনেকেই জানতে চাইবেন এমনটা কি করে সম্ভব?
জাপানী প্রযুক্তির ELCE Water Activator পদ্ধতির মাধ্যমে এই অসম্ভবকে সম্ভব করা গেছে। যেখানে জাপানের ভলকেনিক অ্যাশ থেকে উৎপাদিত সিরামিক ব্যবহার করে ফ্লো, কোয়ালিশন এবং ফ্রিকশন পদ্ধতির মাধ্যমে পানির ইলেকট্রন মলিকুল গুলোকে চার্জ করা হয়। এই পদ্ধতি পানিতে উপস্থিত ক্ষতিকর ক্যামিকেল দূর করে পানিতে হাইড্রোজেন মলিকুলের উপস্থিতি বাড়িয়ে দেয়। যা পানিতে উপস্থিত Oxidizing বা Reducing Potential কমিয়ে পানিকে করে তোলে মানুষের শরীরের জন্যে ম্যাজিক মাইনাস ওয়াটার।
আপনারা জানলে অবাক হবেন, প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এমন অতি শুদ্ধ পানির উৎসগুলোর স্যাম্পল পরীক্ষা করে ORP রেটিং পাওয়া যায় -৩০০ বা এর থেকে কিছু বেশি। যেমন পর্বত শৃঙ্গের চূড়ার পানি বা মেলোনের মত ফলের রসে এমন (-) ভ্যালু যুক্ত গুনাগুন থাকে।
এজন্যেই মানুষের শরীরে পানির উপকারিতার কথা চিন্তা করে বিজ্ঞানীরা (-) ভ্যালু যুক্ত ORP রেটিং পানি পানের পরামর্শ দেন।
শরীরে Hana-a-Class হাইড্রোজেন মাইনাস ওয়াটারের উপকারিতা কি ?
পানিতে PH লেবেলের উপস্থিতির কথা আমরা সবাই জানি। ৭ PH লেবেলের থেকে কম যেকোন পানি শরীরে রক্ত কণিকার সাথে মিশে শরীরে ক্ষতিকর রাসায়নিক ছড়ায় ও ক্যান্সারের মতো ক্ষতিকর সেল তৈরিতে ভূমিকা রাখে। তাই Hana-a-Class মাইনাস ওয়াটারে যোগ করা হয়েছে ৯+PH গুনাগুন। যা শরীরের জন্যে ক্ষতিকর রাসায়নিক দূর করে শরীরের ক্যানসার সেলগুলোকে ডি-একটিভ করে দেয়।

এছাড়া Hana-a-Class হাইড্রোজেন মাইনাস ওয়াটারে মানুষের শরীরে ডায়াবেটিসের জন্যে দায়ী Glucose মলিকুলকে বাধা দিয়ে শরীরে প্রাকৃতিক Insulin তৈরিতে সহযোগিতা করে। তাই এই পানির নিয়মিত সেবনে যেমন ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখবে এবং সেই সাথে আগে থেকে সেবনে শরীরে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হবার সুযোগকেও কমিয়ে দেবে।
এছাড়া শরীরে এন্টি অক্সিডেন্ট মলিকুলার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে শরীরকে রাখে ক্লান্তিহীন আর চাঙ্গা, ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয়না তাই শরীর বুড়িয়ে যাওয়া কমিয়ে দেয়, মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বাড়িয়ে শরীরের ক্ষতিকর উপাদানগুলোকে বের করে দেয়।
পরিশেষে বলতে চাই, শরীরের যত্ন নিলেই সুস্থ থাকবেন। আর এই উদ্যোগে নিয়মিত শরীরচর্চা, খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তনের পাশাপাশি গ্রহণ করুন Hana-a-Class হাইড্রোজেন মাইনাস ওয়াটার।