Water purifier-ওয়াটার পিউরিফায়ার

৳ 11,500.00 PER PIECE

In stock

আপনার খাওয়ার পানি কতটা নিরাপদ ???
তাই আস্থা রাখুন Heron Max এর উপর যাতে ব্যাবহার হয়েছে বিশ্ব বিখ্যাত রিভার্স ওসমোসিস, পানি বিশুদ্ধকরণের আন্তর্জাতিকভাবে স্বিকৃত একটি পদ্ধতি রিভার্স ওসমোসিস৷ এই ধরনের যন্ত্রের মাধ্যমে দূষিত পানিকে মূলত একটি পর্দার একপাশ থেকে আরেক পাশে নিয়ে আসা হয়৷ পর্দাটি ধূলিকণা, লবণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনুজ পদার্থ ছেঁকে ফেলে৷ জর্ডান এই প্রক্রিয়ায় খনির দূষিত পানি বিশুদ্ধ করছে৷ ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ায় সমুদ্রের পানিকেও এভাবে সুপেয় করা হচ্ছে ৷

আমাদের শরীরের শতকরা ৬০ থেকে ৭০ ভাগই পানি। শরীরে উৎপন্ন বিভিন্ন বর্জ্য নিষ্কাশনে ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে পানি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এ কারণে দিনে অন্তত আট–নয় গ্লাস কিংবা দুই–তিন লিটার পানি পান করা উচিত।

পান করার জন্য পানি হওয়া চাই বিশুদ্ধ বা নিরাপদ। আর্সেনিকমুক্ত নলকূপের পানি নিরাপদ। গভীর নলকূপের পানি অগভীর নলকূপের পানির চেয়ে বেশি নিরাপদ। বৃষ্টির পানিও নিরাপদ। তবে পুকুর, নদী-নালা, খাল-বিল ইত্যাদি জলাশয়ের পানি পান করা নিরাপদ নয়। বাড়িতে স্যানিটারি ল্যাট্রিন না থাকলে মল এ ধরনের জলাশয়ের সংস্পর্শে আসতে পারে। মলে থাকা অসংখ্য জীবাণু পানিকে দূষিত করে তোলে। কলকারখানার বর্জ্যও পানি দূষিত করে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সাপ্লাইয়ের পানিও সরাসরি পান করা নিরাপদ নয়। জীবাণুযুক্ত বা দূষিত পানি পান করলে নানা ধরনের অসুখ হতে পারে। এগুলোকে বলে পানিবাহিত রোগ। পানিবাহিত রোগের মধ্যে আছে ডায়রিয়া, কলেরা, আমাশয়, জিয়ার্ডিয়া, টাইফয়েড, পলিওমায়েলাইটিস, লিভারের অসুখ বা জন্ডিস (হেপাটাইটিস-এ, হেপাটাইটিস-ই), কৃমি ইত্যাদি।

Download Shodagor mobile app for quick order. Install App
MOQ: 1
Buy Now Start Order

  Contact Seller

আপনার খাওয়ার পানি কতটা নিরাপদ ???
তাই আস্থা রাখুন Heron Max এর উপর যাতে ব্যাবহার হয়েছে বিশ্ব বিখ্যাত রিভার্স ওসমোসিস, পানি বিশুদ্ধকরণের আন্তর্জাতিকভাবে স্বিকৃত একটি পদ্ধতি রিভার্স ওসমোসিস৷ এই ধরনের যন্ত্রের মাধ্যমে দূষিত পানিকে মূলত একটি পর্দার একপাশ থেকে আরেক পাশে নিয়ে আসা হয়৷ পর্দাটি ধূলিকণা, লবণ থেকে শুরু করে বিভিন্ন অনুজ পদার্থ ছেঁকে ফেলে৷ জর্ডান এই প্রক্রিয়ায় খনির দূষিত পানি বিশুদ্ধ করছে৷ ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়ায় সমুদ্রের পানিকেও এভাবে সুপেয় করা হচ্ছে ৷

আমাদের শরীরের শতকরা ৬০ থেকে ৭০ ভাগই পানি। শরীরে উৎপন্ন বিভিন্ন বর্জ্য নিষ্কাশনে ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে পানি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এ কারণে দিনে অন্তত আট–নয় গ্লাস কিংবা দুই–তিন লিটার পানি পান করা উচিত।

পান করার জন্য পানি হওয়া চাই বিশুদ্ধ বা নিরাপদ। আর্সেনিকমুক্ত নলকূপের পানি নিরাপদ। গভীর নলকূপের পানি অগভীর নলকূপের পানির চেয়ে বেশি নিরাপদ। বৃষ্টির পানিও নিরাপদ। তবে পুকুর, নদী-নালা, খাল-বিল ইত্যাদি জলাশয়ের পানি পান করা নিরাপদ নয়। বাড়িতে স্যানিটারি ল্যাট্রিন না থাকলে মল এ ধরনের জলাশয়ের সংস্পর্শে আসতে পারে। মলে থাকা অসংখ্য জীবাণু পানিকে দূষিত করে তোলে। কলকারখানার বর্জ্যও পানি দূষিত করে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সাপ্লাইয়ের পানিও সরাসরি পান করা নিরাপদ নয়। জীবাণুযুক্ত বা দূষিত পানি পান করলে নানা ধরনের অসুখ হতে পারে। এগুলোকে বলে পানিবাহিত রোগ। পানিবাহিত রোগের মধ্যে আছে ডায়রিয়া, কলেরা, আমাশয়, জিয়ার্ডিয়া, টাইফয়েড, পলিওমায়েলাইটিস, লিভারের অসুখ বা জন্ডিস (হেপাটাইটিস-এ, হেপাটাইটিস-ই), কৃমি ইত্যাদি।

Submit your review

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Reviews

There are no reviews yet.

General Inquiries

There are no inquiries yet.

Shop By Department

Shodagor app logo

Download mobile app